সি-টেট’ জুলাই-২০২৪ পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ
কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, তিব্বতি স্কুলে ও নবোদয় বিদ্যালয়-সহ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন স্কুলে (প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের জন্য সেন্ট্রাল বোর্ড অফ 'সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসসি) সেন্ট্রাল টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট-জুলাই ২০২৪ (সি-টেট) পরীক্ষার আয়োজন করবে।
অনলাইনে আবেদন করতে হবে ২ এপ্রিল, ২০২৪-এর মধ্যে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
(ক) প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা। এর জন্য নিম্নলিখিত যে কোনো একটি যোগ্যতা থাকতে হবে
(১) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও এলিমেন্টারি এডুকেশনে ২ বছরের ডিপ্লোমা পাশ,
(২) ৪৫ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও এনসিটিই রেগুলেশনস, ২০০২ অনুযায়ী এলিমেন্টারি এডুকেশনে ২ বছরের ডিপ্লোমা,
(৩) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও এলিমেন্টারি এডুকেশনে ৪ বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রি পাশ
(৪) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও স্পেশাল এডুকেশনে ২ বছরের ডিপ্লোমা বা শেষ বর্ষে পাঠরত,
(৫) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ গ্র্যাজুয়েট ও সঙ্গে বিএড পাশ হলেও আবেদনের যোগ্য, তবে শিক্ষক পদে নিযুক্ত হওয়ার পর ২ বছরের মধ্যে এনসিটিই স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ মাসের এলিমেন্টারি এডুকেশনে ব্রিজ কোর্স করে নিতে হবে,
(৬) ৫৫ শতাংশ নম্বর-সহ পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও তিন বছরের ইন্টিগ্রেটেড বি.এড-এম.এড পাশ হলেও আবেদনের যোগ্য, তবে শিক্ষক পদে নিযুক্ত হওয়ার পর ২ বছরের মধ্যে এনসিটিই স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ মাসের এলিমেন্টারি এডুকেশনে ব্রিজ কোর্স করে নিতে হবে।
(খ) ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা : এর জন্য নিম্নলিখিত যে কোনো একটি যোগ্যতা থাকতে হবে –
(১) গ্র্যাজুয়েট ও এলিমেন্টারি এডুকেশনে ২ বছরের ডিপ্লোমা পাশ,
(২) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ গ্র্যাজুয়েট ও বিএড পাশ,
(৩) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ গ্র্যাজুয়েট / পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও বিএড পাশ, (৪) ৪৫ শতাংশ নম্বর-সহ গ্র্যাজুয়েট ও এনসিটিই নিয়ম অনুযায়ী ১ বছরের বি.এড পাশ,
(৫) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও এলিমেন্টারি এডুকেশনে ৪ বছরের ব্যাচেলর ডিগ্রি পাশ,
(৬) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ উচ্চমাধ্যমিক ও ৪ বছরের বিএ / বিএসসি-এড বা বিএ-এড / বিএসসি-এড পাশ,
(৭) ৫০ শতাংশ নম্বর-সহ স্নাতক ও স্পেশাল এডুকেশনে ১ বছরের বি.এড পাশ,
(৮) ৫৫ শতাংশ নম্বর-সহ | পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও তিন বছরের ইন্টিগ্রেটেড বি.এড -এম.এড পাশ হলেও আবেদনের যোগ্য, তবে শিক্ষক পদে নিযুক্ত হওয়ার পর ২ বছরের মধ্যে এনসিটিই স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ৬ মাসের এলিমেন্টারি এডুকেশনে ব্রিজ কোর্স করে নিতে হবে।
উল্লেখিত দুইটি যোগ্যতার ক্ষেত্রেই তপশিলি সম্প্রদায় / ওবিসি / প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বরে ৫ শতাংশ ছাড় রয়েছে। সবক্ষেত্রেই এনসিটিই স্বীকৃত | প্রতিষ্ঠান থেকে টিচার এডুকেশনের ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা থাকতে হবে। স্পেশাল এডুকেশনের ডিগ্রি বা ডিপ্লোমা কোর্স পাশ হতে হবে রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার স্বীকৃত যে | কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে।
আবেদনের পদ্ধতি:
এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এর জন্য প্রার্থীর একটি বৈধ ই-মেল আইডি ও মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। দরখাস্ত পুরণের সময় পাসপোর্ট মাপের ছবি ১০ থেকে ১০০ কেবির মধ্যে এবং ৩.৫ সেমি x ১.৫ সেমি মাপের সই ৩ থেকে ৩০ | কেবির মধ্যে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। অনলাইনে বা অফলাইনে দরখাস্ত ফি জমা করতে হবে।
দরখাস্ত ফি –
(ক) জেনারেল ও ওবিসি (এনসিএল) প্রার্থী কেবলমাত্র প্রথম থেকে পঞ্চম বা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের যে কোনো একটি পেপারের পরীক্ষায় বসলে ১০০০ টাকা। দুটি পেপারের পরীক্ষায় বসলে ১২০০ টাকা।
(খ) তপশিলি সম্প্রদায়ভুক্ত / শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থী - কেবলমাত্র প্রথম থেকে পঞ্চম বা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগের যে কোনো একটি পরীক্ষায় বসলে ৫০০ টাকা। দুটি পরীক্ষায় বসলে ৬০০ টাকা। নির্দেশানুসারে দরখাস্ত পুরণ করার পর সাবমিট করে কনফার্মেশন পেজের এক কপি প্রিন্ট নিয়ে নিতে হবে, পরে এর প্রয়োজন হবে।
পরীক্ষা পদ্ধতি :
পরীক্ষা হবে ৭ জুলাই, ২০২৪। কম্পিউটার ভিত্তিক এই পরীক্ষার সিলেবাসে দুটি ভাষা পেপার রয়েছে। এই দুটি ভাষা পেপারের যে কোনো একটি পেপার বাংলা ভাষা। নিতে পারবেন। যে কোনো দুটি ভাষা পছন্দ করার সুযোগ |
পাবেন মোট এই ২০টি ভাষা থেকে- বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, সংস্কৃত, উর্দু, অসমিয়া, গারো, গুজরাটি, কন্নড়, খাসি, মালয়ালম, মণিপুরি, মারাঠি, মিজো, নেপালি, ওড়িয়া, পঞ্জাবি, তামিল, তেলুগু ও তিব্বতি। সি-টেট-এ দুটি পেপারের ওপর পরীক্ষা হবে।
প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা হওয়ার জন্য প্রথম পেপার, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষক-শিক্ষিকা হওয়ার জন্য দ্বিতীয় পেপারের পরীক্ষায় বসতে | হবে। যোগ্যতা থাকলে দুটি পেপারের পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন।
(ক) প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি (পেপার-১) - মোট ৫টি বিষয়ের ওপরে মাল্টিপল চয়েজ টাইপ প্রশ্ন হয়। প্রতিটি বিষয়ের ওপর ৩০টি করে মোট ১৫০টি প্রশ্ন থাকে।
বিষয়গুলি হল –
শিশু উন্নয়ন ও মনস্তত্ত্ব,
প্রথম ভাষা,
দ্বিতীয় ভাষা,
অঙ্ক ও পরিবেশ বিদ্যা।
প্রতিটি প্রশ্নের মান ১।
মোট ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় সময় থাকবে আড়াই ঘণ্টা।
(খ) ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি (পেপার-২) –
মোট ৫টি বিষয় থাকে।
(১) শিশু উন্নয়ন ও মনস্তত্ত্বের উপর ৩০টি প্রশ্ন,
(২) প্রথম ভাষার উপর ৩০টি প্রশ্ন
(৩) দ্বিতীয় ভাষার উপর ৩০টি প্রশ্ন
(৪) অঙ্ক ও বিজ্ঞানের শিক্ষক-শিক্ষিকা পদের প্রার্থীদের জন্য অঙ্ক ও বিজ্ঞানের উপর ৬০টি প্রশ্ন
(৫) সমাজ বিজ্ঞান-এর শিক্ষক-শিক্ষিকা পদের প্রার্থীদের জন্য সমাজ বিজ্ঞানের উপর ৬০টি প্রশ্ন থাকবে।
প্রতিটি প্রশ্নের মান ১।
অঙ্ক, বিজ্ঞান ও সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ছাড়া অন্যান্যদের ক্ষেত্রে (৪) বা (৫) যে কোনো একটি বিষয়ের উত্তর করতে হবে।
মোট ১৫০ নম্বরের পরীক্ষায় আড়াই ঘণ্টা সময় থাকবে।
সি-টেট পরীক্ষায় কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই।
পশ্চিমবঙ্গের পরীক্ষাকেন্দ্র- কলকাতা ও শিলিগুড়ি।
৬০ শতাংশ বা তার থেকে বেশি নম্বর পেলে 'সি-টেট' সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে।
একবার সি-টেট পরীক্ষায় পাশ করলে এই সার্টিফিকেট আজীবন বৈধ থাকবে। একজন প্রার্থী যতবার খুশি সি-টেট পরীক্ষায় বসতে পারেন। সি-টেট পরীক্ষায় পাশ করে সার্টিফিকেট পেয়ে | থাকলে স্কোর বাড়ানোর জন্য পুনরায় সি-টেট পরীক্ষা দেওয়া যাবে। স্কুল ম্যানেজমেন্ট (সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত বা সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত নয় এমন স্কুল) মনে করলে সংরক্ষিত শ্রেণীর প্রার্থীদের জন্য সি-টেট পরীক্ষার শতকরা নম্বরে ছাড় দিতে পারে। উল্লেখ্য, 'সি-টেট' পরীক্ষায় পাশ মানেই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা হওয়ার অধিকার পাওয়া যায় না, এটি কেবলমাত্র যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা। অতিরিক্ত | তথ্যের জন্য দেখুন উল্লেখিত ওয়েবসাইট।
Read More
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ৪৬৪ সাব-ইন্সপেক্টর গ্র্যাজুয়েটদের জন্য
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ১১,৭৪৯ কনস্টেবল মাধ্যমিক
গ্র্যাজুয়েট ছেলেমেয়েদের জন্য দিল্লি পুলিশ ও সিএপিএফ-এ সাব-ইন্সপেক্টর ৪,১৮৭
সি-টেট’ জুলাই ২০২৪ পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ
কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী, দিল্লি পুলিশে ৪১৭৫ সাব-ইনস্পেক্টর

